যুদ্ধাপরাধের অভিযোগে শেষ পর্যন্ত পালের গোদা রাজাকারের শিরোমনি ৭১’এর খুন, ধর্ষন, হত্যার নেতৃত্বদানকারী, ধর্ম ব্যবসায়ী গোলাম আযম গ্রেপ্তার হয়ে কারাগারের যাবার অপেক্ষার প্রহর গুনছে, সেই অবস্থায় রাজাকারদের দোসর জামাতের ছাত্রসংগঠন দেশে অরাজকতা সৃষ্টির লক্ষে বিভিন্ন কলেজ বিশ্ববিদ্যালয়ে একের পর এক অপকর্ম করে বিচার প্রক্রিয়াকে ভিন্ন খাদে প্রবাহিত করার চেষ্টার অংশ হিসাবে যুদ্ধাপরাধ আর মানবতাবিরোধী দুটিকে দুই ভাবে ব্যাখ্যা করে বিভিন্ন ব্লগে বিভ্রান্ত ছড়ানোর চেষ্টা করছে। তাই লেখার প্রথমেই জানা দরকার যুদ্ধাপরাধআর মানবতাবিরোধী অপরাধ কি ?

বাংলাদেশ নানা উত্থান-পতনের মধ্যে দিয়ে দীর্ঘ চল্লিশ বছরের পথপরিক্রমায় এখানকার অবস্থানে এসে দাঁড়িয়েছে। অবস্থান বলতে মন্দের ভালো আর কি। যখন চোখের সামনে ভাল কিছুই দেখতে পাইনা তখন মন্দটাই ভাল হয়ে আমাদের সমাজে প্রতিষ্ঠা পায়। আর এটাই হলো সবচেয়ে স্বাভাবিক একটা ব্যাপার। আর এখনকার সমাজ ব্যবস্থায় আরো সহজ। নিরাশা,উদ্বেগ, ভঙ্গুর ভবিষ্যত এর দিকে তাকিয়ে এখন প্রত্যেকটা মানুষই হতাশার সাগরে নিমজ্জিত।